বিন্দুমতীর কথাটা কানে লেগে ছিল সারা দুপুর।
«লাবণ্য রানীমাও আপনার জন্য পাগল… আজ রাতে নাটমন্দিরে একা নাচ।»
স্নানঘাটের ভেজা পাথর থেকে উঠে এসে আমি পোশাক ঠিক করেছিলাম। দাসীর কালো-চকচকে বুকের উপর আমার মালের চিহ্ন তখনও শুকোয়নি — সাদা রেখা তার ভারী দুধের কালো চামড়ায়, যেন কেউ ইচ্ছাকৃত ছবি এঁকেছে। মৃণালিনী রানীমা পেছনের ঘরে কাপড় গুছিয়েছিলেন; শাড়ির ভাঁজ গুছোনোর সময় তার আঙুল কাঁপেনি, মুখও ভাঙেনি — শীতল, হিসেবি, যেন সৎমা-ছেলের সংগম আর দাসী-রানী-যুবরাজের ত্রিভুজ কিছুই ঘটেনি। শুধু একবার, দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে, তিনি বলেছিলেন — «বিন্দুমতী এখন তোমার চোখ। চোখ ফেলে দিয়ো না। আর লাবণ্য…» নামটা মুখে এনে তিনি থেমে গিয়েছিলেন। «লাবণ্য নাচে। নাচের নিচে আরও কিছু থাকে। যাবে যদি, ফিরবে জেনে।»
আমি মাথা নত করেছিলাম। প্রধান রানীমার অনুমতি নয় — সতর্কবাণী।
আর বিন্দুমতী — ভেজা শাড়ি আলগা করে, আমার কানে মুখ এনে — ফিসফিস করে বলেছিল ওই কথাটা। তার মোটা ঠোঁটে চাপা হাসি। «আমি সব জানি, যুবরাজ। আপনি রানীমাকে নিয়েছেন। আমাকে নিয়েছেন। দুজনকে একসঙ্গেও। এখন আমি আপনার নীরবতা — আর আপনার খবরদার। লাবণ্য রানীমা দুপুরবেলা তেল-ঘর সাজাচ্ছিলেন। চন্দনের গন্ধ। আয়না মুছছিলেন নিজে। একা নাচ মানে একা নয় — আপনার জন্য একা।»
তার কালো হাত আমার কটিবন্ধে একবার চেপে বলেছিল, «যাবেন। কিন্তু জানালা খোলা রাখবেন না। মন্ত্রী শশাঙ্কের ছায়া দিনেও ঘোরে, রাতে তো আরও।»
নাটমন্দির।
রাত নামছিল কাঞ্চনগড়ের উপর। শোণনদীর দিক থেকে ভেজা হাওয়া আসছিল। সুবর্ণদুর্গের দক্ষিণ-দিকের করিডোরে মশাল জ্বলছিল এক-এক করে। প্রহরীরা দূরে — রাজা মৃগবনে, প্রধান রানীমা নিজ মহলে, আর আমি… আমি হাঁটছিলাম সেই পথে যেখানে ক’দিন আগে চন্দ্রাবতীকে নিয়েছিলাম।
কিন্তু আজ নর্তকী নয়।
আজ রানী।
দ্বিতীয় রানী। লাবণ্যলেখা। চৌত্রিশ। আমার সৎমা।
দরজার কাছে পৌঁছে আমি থামলাম। ভিতর থেকে শব্দ আসছিল — ঘুঙুরের টুংটাং, পায়ের থপথপ, আর একটা মৃদু হাসি যেন নিজে নিজেই গান গাইছে। আমি পর্দা সরিয়ে ঢুকলাম।
নাটমন্দিরের মেঝেতে লাল গালিচা বিছানো। চারদিকে প্রদীপ। স্তম্ভের ছায়া লম্বা হয়ে পড়েছে। আর মাঝখানে —
তিনি।
লাবণ্যলেখা রানীমা।
শাড়ি নেই। শুধু একটা পাতলা রেশমি অঙ্গবস্ত্র — লাল-সোনালি, কোমরে জড়ানো, আর বুকে একটা ছোট ব্লাউজ যা প্রায় কিছুই ঢাকে না। ঘুঙুর বাঁধা পায়ে। চুল খোলা, পিঠ বেয়ে নেমেছে। ঘামে সোনালি ত্বক চকচক করছে প্রদীপের আলোয়।
আর সেই শরীর…
নর্তকীর কোমর — এত সরু যে দুই হাতের তালু দিয়ে ঘিরে ধরা যায়। সেই সরু কোমরের উপর বসানো বুক দুটো উঁচু, টানটান, দৃঢ় — ডাবের মতো নয়, যুবতী-ফলের মতো, যা নাচের তালে তালে দুলছে, লাফাচ্ছে, আর ব্লাউজের কাপড়কে ঠেলে বাইরে আসতে চাইছে। পোঁদ গোল, শক্ত, প্রতিটি পদক্ষেপে কাঁপছে। ঊরু মোটা-নরম, ভিতরের দিক ঘামে চকচকে।
তিনি পিছু হটে একটা চক্র সম্পূর্ণ করলেন, তারপর হঠাৎ থেমে আমার দিকে তাকালেন।
অশ্লীল হাসি।
ঠিক সেই হাসি যা রাজসভায় প্রথম দিন দেখেছিলাম — ঠোঁটে ঠোঁট চেপে, চোখে খেলা, যেন সব গোপন কথা ইতিমধ্যেই বলে ফেলেছেন শুধু দৃষ্টিতে।
«এসেছ।» কণ্ঠে হাসি। «বিন্দুমতী ঠিক খবর দিয়েছে দেখছি।»
আমি এগিয়ে গেলাম। «রানীমা —»
«থামো।» তিনি এক আঙুল তুললেন। ঘুঙুর বাজল। «আজ রাতে আমি রানীমা নই।»
চোখ কুঁচকে তাকালেন আমার দিকে — সোনালি ত্বকে ঘামের রেখা বুকের ভাঁজ বেয়ে নেমে যাচ্ছে ব্লাউজের ভিতরে।
«আজ তুমি শিষ্য। আর আমি… নৃত্যগুরু।»
বাতাস থেমে গেল মনে হলো।
তিনি এগিয়ে এলেন। পায়ের ঘুঙুর টুংটাং করছে। কাছে এসে আমার বুকের কাপড় ধরে টানলেন একটু। «গুরুগৃহে তলোয়ার শিখেছ, অস্ত্র শিখেছ, রাজনীতি শিখেছ। কিন্তু…» তার আঙুল আমার কটিবন্ধের উপর নামল, থামল, চাপ দিল। «এটা শেখোনি। নাচের তাল। শরীরের তাল। নারীর তাল।»
আমার ধোন ইতিমধ্যে শক্ত হয়ে উঠছিল। কাপড়ের নিচে ফুলে উঠে তার কব্জিতে ঠেকছিল। তিনি হাসলেন — সেই অশ্লীল, খেলাচ্ছলে-লোভী হাসি।
«ও মা। শিষ্য তো তৈরি।»
«রানীমা, এখানে কেউ —»
«কেউ নেই।» তিনি পেছনে তাকালেন নাটমন্দিরের খালি স্তম্ভগুলোর দিকে। «চন্দ্রাবতীকে পাঠিয়ে দিয়েছি দাসীপট্টিতে। প্রহরীকে বলেছি যুবরাজ মহড়া দেখবেন, কেউ ঢুকবে না। আর…» তিনি আমার কানে মুখ এনে ফিসফিস করলেন, গরম নিঃশ্বাস কানে লাগল। «তোমার সৎমা আজ তোমাকে নাচ শেখাবে। বুঝলে, শিষ্য?»
আমি এক পা এগিয়ে তার কোমরের দিকে হাত বাড়ালাম। তিনি সরিয়ে দিলেন — আঙুলের ডগায় আমার কব্জি ঠেলে, ঘুঙুর বেজে উঠল একবার।
«না। শিষ্য এত তাড়াতাড়ি গুরু ছুঁতে পারে না।»
তিনি পেছনে সরে একটা পূর্ণ চক্র আবার কাটলেন। এবার আরও কাছে — এত কাছে যে তার তেল-ঘাম-মাখা সোনালি বাহু আমার বুক ছুঁয়ে গেল। দুধ দুটো নাচের শেষ ঢেউয়ে এখনও দুলছে; ব্লাউজের কাপড় বোঁটার চারপাশে ভিজে কালো হয়ে গেছে। আমি দেখলাম — সত্যি দেখলাম — ডান বোঁটা কাপড়ের ফাঁক দিয়ে সামান্য বেরিয়ে আছে, শক্ত, ঘামে চকচকে। তিনি টের পেয়ে হাসলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে বুক আরও সামনে ঠেললেন।
«রাজসভায় তুমি আমার দিকে তাকিয়েছিলে।» তিনি ধীরে বললেন, ঘুরতে ঘুরতে। «প্রণামের সময় আমি পাখা নিচু করেছিলাম — মনে আছে? তোমার চোখ আমার ব্লাউজের গভীরে ঢুকেছিল। আমি দেখেছিলাম। আর সেদিন রাতে…» তিনি থামলেন, জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজালেন। «সেদিন রাতে আমি নিজের আঙুল নিজেই ঢুকেছিলাম, তোমার মুখ মনে মনে এঁকে। সৎমা হয়েও। লজ্জা? ছিল। এক মুহূর্ত। তারপর আর ছিল না।»
আমার গলা শুকিয়ে গেল। «রানীমা, রাজা —»
«রাজা মৃগবনে।» তিনি কেটে বললেন। «রাজার ধোন আর উঠে না। তিন বছর। তুমি জানো? অন্তপুরের সব রানী জানে। মৃণালিনী হিসেব কষে। ত্রিশিখা তলোয়ার ঘষে। হেমলতা কাঁদে। আর আমি…» তিনি নিজের কোমরে হাত রেখে একবার ধীর ঢেউ খেলালেন — পোঁদ, ঊরু, দুধ সব একসঙ্গে। «আমি নাচি। আর নাচতে নাচতে ভিজে যাই। আজ তুমি সেই ভেজা দেখবে, শিষ্য। ছুঁবে। চাটবে। ঢোকাবে। কিন্তু আমার তালে। আমার হুকুমে।»
তিনি একেবারে কাছে এসে আমার উত্তরীয়ের প্রান্ত ধরে টানলেন। কাপড় খুলে পড়ল আমার কাঁধ থেকে। তার নখ আমার বুকের দাগ — যুদ্ধের পুরনো দাগ — বেয়ে নামল। «এগুলো যুদ্ধের। এবার অন্তপুরের যুদ্ধ। সিংহাসন নয় — শয্যা। আর শয্যার প্রথম পাঠ… তেল।»
«রানীমা — গুরু — এখানেই?»
«তেল-ঘরে। আয়নার সামনে। যাতে তুমি দেখতে পাও — যুবরাজ কী করছে সৎমার শরীরে।» তিনি আমার কটিবন্ধে এক চাপ দিয়ে ফিসফিস করলেন, «আর সৎমা কী করছে যুবরাজের বাঁড়ায়। চলো।»
তিনি আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলেন নাটমন্দিরের পেছনের ছোট ঘরে — তেল-ঘর। আয়না লাগানো দেয়াল। মাঝখানে নিচু কাঠের চৌকি। তেলের কুপী সারি সারি — চন্দন, জাফরান, কস্তুরী, নারকেল। প্রদীপের আলো আয়নায় দ্বিগুণ হয়ে ফিরছিল।
«শুয়ে পড়ো।» তিনি বললেন। «উল্টো। বুকের উপর।»
আমি উত্তরীয় খুলে চৌকিতে শুলাম। তিনি আমার ধুতির উপরের অংশ টেনে নামালেন কোমর অবধি — শুধু এতটুকু যে পিঠ আর কোমর খোলা, কিন্তু নিচের দিক এখনও ঢাকা। তারপর নিজে ব্লাউজের ফিতা খুললেন ধীরে।
ব্লাউজ খুলল।
দুধ দুটো বেরিয়ে এল — উঁচু, টানটান, সোনালি, বোঁটা দুটো ইতিমধ্যে শক্ত, ঘামে চকচকে। নাচের পরও ওগুলো সামান্যও ঝোলেনি; দৃঢ়, ভারী, আর এত সুন্দর যে চোখ সরানো যায় না। তিনি হাসলেন আমার তাকানো দেখে।
«শিষ্যের চোখ তো গুরুর দুধে আটকে গেল।» তিনি কুপী থেকে চন্দনের তেল ঢাললেন নিজের বুকে। তেল গড়িয়ে নামল দুধের ফাঁক বেয়ে, বোঁটার উপর দিয়ে, পেটের দিকে। «দেখ। এবার আমি তোমার পিঠে লাগাব। আর তুমি… চুপ করে সহ্য করবে। নড়াচড়া নেই। বুঝলে?»
«বুঝলাম।»
তার গরম দুধ আমার পিঠে ছুঁল প্রথমে।
আহ্…
তেলমাখা নরম মাংস আমার কাঁধে চেপে বসল। তিনি আমার পিঠের উপর ঝুঁকে পড়েছেন — দুধ দুটো আমার দুই কাঁধের ব্লেডে ঘষা খাচ্ছে, তেল চিকচিক করছে, আর তার নিঃশ্বাস আমার ঘাড়ে পড়ছে। তিনি ধীরে ধীরে সামনে-পিছনে নড়লেন। দুধ দুটো আমার পিঠে পিছলতে লাগল — নরম, গরম, ভারী।
«এই যে…» তিনি বিড়বিড় করলেন। «গুরুর দুধ দিয়ে শিষ্যের ঘাম মুছছি। তুমি কেমন লাগছে?»
«রানীমা…»
«গুরু। বলো — গুরু।»
«গুরু… অসহ্য লাগছে।»
তিনি হাসলেন। তার হাত তেল মাখিয়ে আমার কোমরে নামল, তারপর আরও নিচে — ধুতির ভাঁজের ভিতরে। আমার শক্ত ধোনের গোড়া ছুঁয়ে থামল।
«ও বাবা। এত শক্ত কবে হলো?» আঙুল দিয়ে একবার মুড়ে ধরলেন কাপড়ের উপর দিয়ে। «নাচ শেখার আগেই বাঁড়া উঠে দাঁড়িয়েছে। লজ্জা নেই শিষ্যের?»
«গুরুর দুধ পিঠে পেয়ে…» আমি দাঁত চেপে বললাম। «কেউ সামলাতে পারে?»
«সামলাতে হবে।» তিনি আঙুল সরিয়ে নিলেন। «এখনও না। প্রথমে আয়না।»
তিনি আমাকে উল্টে শোয়ালেন। এবার বুক খোলা আমার, ধুতি কোমরে আধ-খোলা, ধোন উঁচু হয়ে কাপড় ঠেলে বাইরে আসার চেষ্টা করছে। তিনি নিজে হাঁটু গেড়ে আমার দুই পাশ দিয়ে বসলেন — মানে আমার কোমরের দু’পাশে হাঁটু, আর তার তেলমাখা নগ্ন বুক আমার মুখের ঠিক উপর।
আয়নায় সব দেখা যাচ্ছিল।
দেয়ালের বড় আয়নায় — যুবরাজ শুয়ে, আর তার সৎমা রানী উন্মুক্ত বুকে তার উপর ঝুঁকে। তেল, ঘাম, প্রদীপের আলো।
«দেখো।» তিনি আমার চিবুক ধরে আয়নার দিকে ঘোরালেন। «দেখো কী হচ্ছে। শিষ্য আর গুরু।»
তার এক হাত আমার ধোন বের করে ধরল — মোটা, শিরা-ওঠা, মুখ থেকে ইতিমধ্যে এক ফোঁটা মাল বেরিয়ে তেলের সঙ্গে মিশছে। তিনি ধীরে উপরে-নিচে টানলেন। আয়নায় দেখা যাচ্ছিল তার সোনালি হাত আমার কালো-তামাটে পুরুষাঙ্গ ঘষছে।
«দেখো নিজেকে।» তিনি কানে ফিসফিস করলেন। «তোমার বাঁড়া আমার হাতে। আর আমার…» তিনি আমার অন্য হাত ধরে নিজের দুধের উপর চাপিয়ে দিলেন। «আমার এগুলো তোমার হাতে। চাপো।»
আমি চাপলাম। টানটান মাংস আঙুলের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে এল। বোঁটা দুটো শক্ত পাথর। তিনি আঃ করে উঠলেন, কোমর সামনে ঢেউ খেলালেন, আর নিজের ভোদার কাপড়-ঢাকা অংশ আমার উরুতে ঘষলেন একবার।
«আরও। দুধ চাটো। আয়নায় দেখে চাটো।»
আমি মাথা তুলে তার ডান দুধ মুখে নিলাম। বোঁটা জিভের উপর — নোনতা ঘাম, চন্দনের তেল, আর তার নিজের গন্ধ। চোষলাম। জোরে। তিনি মাথা পেছনে ফেললেন, চুল পিঠ বেয়ে নামল, আর আয়নায় দেখা গেল — রানীর মুখ আনন্দের বিকৃতিতে, আর যুবরাজের মুখ তার বুকে ডুবানো।
«আহহহ… শিষ্য… দাঁত দিয়ো না… জিভ… হ্যাঁ… ওইখানে…»
আমি অন্য দুধে মুখ বদলালাম। হাত দিয়ে দুটোকে একসঙ্গে চেপে ধরে মাঝখানে মুখ রাখলাম — তেলমাখা ফাঁকে জিভ চালাচ্ছি, আর তিনি আমার ধোন আরও শক্ত করে মুঠোয় নিয়ে দ্রুত টানছেন।
«থেমে যাও — না, থেমো না — আহ্…» তিনি নিজেই বিভ্রান্ত। «আয়নায় দেখো… দেখো তোমার সৎমা কেমন…»
আয়নায় — তার পোঁদ আধ-উঁচু, অঙ্গবস্ত্রের নিচে ভোদার রেখা ভিজে কালো হয়ে উঠেছে, আর আমার হাত তার দুধ মাখাচ্ছে। আমি আঙুল দিয়ে তার বোঁটা নিংড়লাম। তিনি ঝাঁকি দিয়ে উঠলেন।
তেলের কুপী থেকে তিনি আরও ঢাললেন — এবার আমার কোমরের নিচে, ধোনের গোড়ায়, ঊরুর ভাঁজে। তার দুধ দিয়ে মাখাচ্ছেন সেখানেও; নরম মাংসের চাপ আমার দণ্ডের গায়ে লাগছে আবার সরে যাচ্ছে। আয়নায় দেখা যাচ্ছে পুরো দৃশ্য — রানীর খোলা চুল আমার পেটে ছড়িয়ে, সোনালি পিঠ বাঁকানো, আর আমার হাত তার চুলে জড়ানো।
«এখন আমি থামব।» তিনি হঠাৎ হাত তুলে নিলেন। ধোন টানটান, মুখ লাল, মালের ফোঁটা গড়িয়ে তেলের সঙ্গে মিশছে। «তুমি ছুঁবে না নিজে। আমিও ছুঁব না। শুধু দেখবে আয়নায়। এটাই সীমান্ত-টান। বুঝলে? কাছাকাছি নিয়ে গিয়ে… ফেলে রাখা।»
আমি দাঁত চেপে শুয়ে রইলাম। তিনি উঠে দাঁড়ালেন, নিজের অঙ্গবস্ত্র আরও খুলে নিলেন কোমর অবধি — পুবের দিকের আয়নায় তার নগ্ন পোঁদ, ভোদার ফাঁক, আর আমার শক্ত অঙ্গ পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে। তিনি নিজের আঙুল দিয়ে নিজের ভগাঙ্কুরে একবার ঘষলেন, আঃ করে উঠলেন, তারপর আঙুল আমার মুখে ঠেকালেন।
«চাটো। গুরুর জল।»
আমি চাটলাম — নোনতা-মিষ্টি, গরম। তিনি আয়নায় আমাদের দুজনকে দেখাচ্ছেন। «বলো কী দেখছ।»
«যুবরাজ… সৎমার আঙুল চাটছে।» আমার কণ্ঠ ভাঙা। «আর সৎমার গুদ… ভিজে চকচকে।»
«আর?» তিনি আবার নিজের ভিতরে আঙুল ঢোকালেন — দুটো — পচপচ শব্দ — আর বের করে আমার ধোনের মুখে মাখালেন। ঠান্ডা-গরম সংযোগে আমি কোমর তুলে উঠলাম। তিনি হাসলেন, সরিয়ে দিলেন। «না। উঠবে না। সীমান্তে রাখো। সহ্য করো।»
তিনবার। চারবার। তিনি আমার দণ্ডের গোড়া থেকে মুখ অবধি তেল-জল মিশিয়ে মুছছেন, তারপর ঠিক যখন মাল বেরোবার জায়গায় — থামছেন। আমি গোঙাচ্ছি। তিনি নিজের দুধ দুটো আমার দণ্ডের দু’পাশে চেপে ধরে উপর-নিচ করছেন — নরম গরম সুড়ঙ্গ — আয়নায় সেই দৃশ্য দেখে আমার মাথা ঘুরছে। বোঁটা দুটো আমার শিরা-ওঠা মাংসে ঘষা খাচ্ছে।
«গুরুর দুধ দিয়ে শিষ্যের বাঁড়া মাখাচ্ছি…» তিনি বিড়বিড় করলেন। «উৎসবে যখন লোকের সামনে নাচব, তখন মনে পড়বে এই আয়না। এই তেল। এই… উফফ…» তিনি নিজেই কোমর ঢেউ খেলিয়ে আমার ঊরুতে ভোদা ঘষলেন একবার — ভিজে মাংসের আঘাত — আর কেঁপে উঠে সরে গেলেন। «যথেষ্ট। নইলে আমি আগেই খসে যাব। ওঠো। নাচ। এখন নাচ। মেঝেতে। তাল শিখবে প্রথমে কাপড়সহ, তারপর… কাপড় ছাড়া।»
তেল-ঘর থেকে নাটমন্দিরে ফিরলাম। তিনি অঙ্গবস্ত্রের ফিতা আলগা করে দিলেন — কাপড়টা কোমরে সবে ধরে আছে। ব্লাউজ নেই। শুধু নগ্ন বুক, তেলমাখা, আর নিচে সেই পাতলা কাপড়।
«দাঁড়াও।» তিনি বললেন। «আমি নাচব। তুমি দেখবে। হাত দেবে না। শুধু দেখবে। আর…» তিনি আমার ধুতি এক টানে খুলে ফেললেন। ধোন বেরিয়ে পড়ল — ভারী, উঁচু, বাতাসে টানটান। «এটা দেখে আমি নাচব। বুঝলে? তোমার এটা আমার তাল।»
তিনি মাঝমাঠে গিয়ে দাঁড়ালেন। ঘুঙুর বাজল। প্রদীপের আলোয় সোনালি শরীর।
প্রথম তাল — ধীর।
পা সামনে, পোঁদ পেছনে। দুধ দুটো সামনে ঝুলে আবার উঠে এল — টানটান বলে পুরোপুরি ঝোলে না, কিন্তু নাচের ঢেউয়ে দুলছে, কাঁপছে, বোঁটা দুটো বাতাসে শক্ত। তিনি হাত মাথার উপর তুললেন, কোমর ঘোরালেন, আর অঙ্গবস্ত্রের ভাঁজ সরে গিয়ে এক ঊরুর ভিতরের সাদা-সোনালি চামড়া দেখাল।
আমার হাত ইচ্ছা করেই তার দিকে বাড়ছিল। তিনি চোখ কুঁচকে হাসলেন।
«হাত নামিয়ে রাখো, শিষ্য। শুধু চোখ।»
দ্বিতীয় তাল — দ্রুত।
থপথপ থপথপ — পায়ের শব্দ। ঘুঙুরের ঝনঝন। দুধ দুটো এবার সত্যি সত্যি লাফাচ্ছে — উপরে-নিচে, উপরে-নিচে, প্রদীপের আলোয় তেলের চিকচিক। পোঁদ গোল হয়ে কাঁপছে প্রতিটি পদক্ষেপে। তিনি আমার দিকে এগিয়ে এলেন নাচতে নাচতে, থেমে গেলেন আমার এক হাত দূরে, আর কোমর ঘুরিয়ে নিজের পেছন আমার ধোনের দিকে এনে ঠেকালেন — কাপড়ের উপর দিয়ে, শুধু একবার, ঘষে।
গরম ভোদার চাপ। ভিজে কাপড়।
আমি শ্বাস নিতে ভুল করলাম।
«এই যে তাল।» তিনি পেছন ফিরে আমার চোখে তাকালেন, কোমর দিয়ে আবার ঘষলেন আমার শক্ত বাঁড়ায়। «নাচ মানে শুধু পা নয়। এটা…» তিনি নিজের পোঁদ চেপে ধরলেন আমার অঙ্গে। «এই ঢেউ। শিখবে?»
«শিখব।»
«তাহলে ধরো কোমর।»
আমি ধরলাম — দুই হাত তার সরু কোমরে। আঙুলের ফাঁকে তেল আর ঘাম। তিনি পেছন ফিরে থেকেই নাচতে লাগলেন — পোঁদ আমার ধোনের গোড়ায় ঘষা খেয়ে চলেছে, বাম-ডান, উপরে-নিচে। কাপড় ভিজে সরে যাচ্ছে। তার ভোদার ফাঁক আমার দণ্ডের গায়ে লাগছে শুধু পাতলা রেশমের আড়ালে।
«আহহ… দেখো কেমন ভিজে গেছি…» তিনি মাথা পেছনে ফেলে আমার কাঁধে রাখলেন। «তোমার বাঁড়া গরম… আমার গুদ কাপড়ের ভিতর থেকেই টের পাচ্ছে…»
আমি তার দুধ দুটো সামনে থেকে চেপে ধরলাম। নাচের তালে তালে ওগুলো আমার হাতে দুলছে — ভারী, টানটান, বোঁটা আঙুলের ফাঁকে। তিনি আরও জোরে পোঁদ ঠেললেন পেছনে।
«কাপড় খোলো।» তিনি হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন। «শিষ্যের হাত দিয়ে গুরুর কাপড় খোলো।»
আমি অঙ্গবস্ত্রের ফিতা টানলাম। কাপড় খুলে পড়ল পায়ের কাছে।
নগ্ন।
পুরোপুরি নগ্ন রানী লাবণ্যলেখা — সোনালি ত্বক, উঁচু দুধ, সরু কোমর, গোল পোঁদ, আর দুই ঊরুর মাঝে কালো-ঘন লোমের রেখা যার নিচে ভোদা ফোলা, ভিজে, মাংসল ঠোঁট দুটো আলাদা হয়ে আছে আর্দ্রতায়। এক ফোঁটা জল গড়িয়ে নামছিল ঊরু বেয়ে।
নগ্ন শরীর প্রদীপের আলোয় সোনালি অগ্নিমূর্তি। তিনি এক পা সামনে রেখে আবার নাচ শুরু করলেন — এবার আমার একেবারে কাছে। ঘুঙুরের শব্দ আর তার শ্বাসের শব্দ মিলে যাচ্ছে। দুধ দুটো মুক্ত হয়ে লাফাচ্ছে — উপরে উঠে গোল হয়ে, নিচে নেমে ঢেউ খেলে; আমি হাত বাড়ালে তিনি সরিয়ে দেন, আবার এগিয়ে এসে নিজের বুক আমার বুকে ঠেকান এক মুহূর্তের জন্য। ঘামে-তেলে দুই বুক লেপ্টে যায়, বোঁটা আমার চামড়ায় শক্ত বিন্দুর মতো লাগে, তারপর তিনি পেছনে সরে যান হাসতে হাসতে।
«ধরো। এবার ধরো। কোমর।»
আমি দুই হাত তার সরু কোমরে রাখলাম। আঙুলের নিচে মেরুদণ্ডের গর্ত, তেল, ঘাম। তিনি নাচতে লাগলেন আমার হাতের ভিতরে থেকে — পোঁদ ঘুরছে, ঊরু ঘষা খাচ্ছে আমার উরুতে, আর তার খোলা ভোদা — গরম, ভিজে — আমার শক্ত ধোনের গায়ে লাগছে আবার সরে যাচ্ছে। পচপচ। এক ফোঁটা তার জল আমার দণ্ড বেয়ে নামল।
«তাল মিলিয়ে চলো।» তিনি হুকুম করলেন। «আমি বাম, তুমি বাম। আমি ঢেউ, তুমি ঢেউ। এটাই নৃত্যের পাঠ — শরীর দিয়ে শরীর পড়া।»
আমরা একসঙ্গে নড়লাম। নাটমন্দিরের খালি স্তম্ভগুলো সাক্ষী। তার পেছন আমার পেটের সঙ্গে, আমার হাত তার দুধে, তার এক হাত পেছনে গিয়ে আমার পোঁদ চেপে ধরে আরও জোরে ঠেকিয়ে দিচ্ছে। ধোন তার দুই ঊরুর ফাঁকে ঢুকে গেছে — ভিতরে নয়, বাইরে ঘষা — আর প্রতিটি ঢেউয়ে ভগাঙ্কুর আমার শক্ত মাংসে আছড়ে পড়ছে।
«আহহহ… ওখানে… ওই মাংসটা তোমার বাঁড়ায় লাগছে…» তিনি মাথা আমার কাঁধে রাখলেন। «আরও জোরে ঘষো… না ঢুকেই আমাকে আনতে পারো? শিষ্য পারবে?»
আমি কোমরের তাল বাড়ালাম। তার ভিজে ফাঁক আমার দণ্ডের পুরো দৈর্ঘ্য ঘষে চলেছে। শব্দ পচপচ পচপচ। তার দুধ আমার হাতে দুলছে — চাপলে আঃ, নিংড়লে আরও আঃ। তিনি হঠাৎ কেঁপে উঠে আমার হাত চেপে ধরলেন।
«থামো — থামো — আমি… না, থেমো না — শুধু… আঙুল… আগে আঙুল দাও…»
আমি সামনের দিক থেকে এক হাত নামিয়ে তার ভোদায় আঙুল ঢোকালাম — দুটো আঙুল সহজে ঢুকে গেল ভিজে সুড়ঙ্গে। ভিতর গরম, দেয়াল স্পন্দিত। আঙুল বাঁকিয়ে সেই নরম মাংসে চাপ দিলাম আর কোমর দিয়ে বাইরে থেকে ঘষলাম। তিনি দাঁতে দাঁত চেপে গোঙালেন, ঘুঙুর বেজে উঠল।
«জিভ চাই… মুখ চাই…» তিনি হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন। «শিষ্যের মুখ গুরুর ভোদায়। হাঁটু গেড়ে। এখনই।»
আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম। তার গন্ধ — তেল, ঘাম, আর স্ত্রী-দেহের তীব্র গন্ধ — নাকে লাগল। আমি জিভ বের করে তার ফোলা মাংসে লাগালাম।
তিনি কাঁপলেন।
«আহহহ… জিভ… ওখানে… উপরে… হ্যাঁ… ওই ছোট মাংসটা… চোষো…»
আমি তার ভগাঙ্কুর মুখে নিয়ে চোষলাম। দুই হাত দিয়ে পোঁদ ধরে রেখেছি। তিনি আমার চুলে হাত পুঁতে কোমর ঢেউ খেলাচ্ছেন — নাচের তালেই আমার মুখে চোদা দিচ্ছেন যেন। ভোদা থেকে জল গড়িয়ে আমার চিবুকে, গলায়। আমি জিভ ঢোকালাম ভিতরে — গরম, সরু, পিছল পথ। চোঁচোঁ শব্দ হচ্ছিল জিভের।
«দেখো আয়নায়…» তিনি হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন। পেছনের দেয়ালে ছোট আয়না — সেখানে দেখা যাচ্ছিল রানীর নগ্ন পিঠ, আমার মাথা তার দুই ঊরুর মাঝে। «যুবরাজ সৎমার গুদ চাটছে… আহ্… আরও জোরে…»
আমি আঙুল ঢোকালাম — একটা, তারপর দুটো। ভিতর গরম, টানটান, ভিজে। আঙুল বাঁকিয়ে সেই নরম জায়গায় চাপ দিলাম যেখানে তিনি ঝাঁকি দিয়ে উঠলেন।
«না — থেমো — আমি — আহহহহ!»
প্রথম কাঁপুনি।
তার ঊরু আমার কানের দু’পাশে চেপে ধরল। ভোদা আমার মুখের উপর স্পন্দিত হচ্ছে। জলের ধারা — হঠাৎ এক ঝলক গরম তরল আমার মুখ ভিজিয়ে দিল, চিবুক বেয়ে বুকে নামল। তিনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই প্রথমবার কেঁপে উঠলেন, ঘুঙুর বেজে উঠল অনিয়ন্ত্রিত, আর তার মুখ দিয়ে বেরোল আঃহহহ একটা লম্বা আর্তনাদ।
«এক…» তিনি হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন, হাঁটু কাঁপছে। «গুরুর প্রথম… শিষ্যের জিভে…»
কিন্তু তিনি আমাকে উঠতে দিলেন না। চুলে হাত রেখে আবার মুখ চাপলেন নিজের ভোদায়। «আরও চাটো। সংখ্যা এক যথেষ্ট নয়। গুরু দুই চায় জিবে। আয়নায় দেখে চাটো — দেখো তোমার মুখ কেমন ডুবে আছে সৎমার মাংসে।»
আমি আবার জিভ চালালাম। এবার আরও নোংরা, আরও গভীর — ঠোঁটের ভাঁজ আলাদা করে ভিতরের গোলাপি মাংস চোষা, নাক তার লোমে ডোবানো, চিবুক ভিজে থাকা। তিনি আমার মাথায় চাপ দিয়ে কোমর নাচাচ্ছেন — থপথপ থপথপ — ঘুঙুর আর যোনির শব্দ একসঙ্গে। আঙুল তিনটে ঢুকিয়ে দিলাম এবার, জিভ উপরে ভগাঙ্কুরে।
«আহহহ… বাঁদা… আঙুল… জিভ… একসঙ্গে… গুরু গলে যাচ্ছে… দেখো মেঝে…»
সত্যিই — তার জল আমার হাত বেয়ে ফোঁটা ফোঁটা গালিচায় পড়ছিল। আয়নায় রানীর মুখ — চোখ উল্টে, মুখ খোলা, লাল ঠোঁট কাঁপছে। আমি দাঁত দিয়ে সামান্য কামড় দিলাম সেই ছোট মাংসে। তিনি চিৎকার করে উঠে দ্বিতীয়বার কাঁপলেন — এবার হাঁটু বেঁকে গিয়ে আমার কাঁধে ভর দিলেন, আর গরম ধারা আবার আমার মুখ-বুক ভিজিয়ে দিল।
«দুই…» তিনি কাঁপতে কাঁপতে গণনা করলেন। «জিভের উপর… দুই…»
এবার আমি উঠলাম। মুখ থেকে তার জল গড়িয়ে বুকে নামছে। তিনি আমার মুখ দুই হাতে চেপে ধরে চুমু খেলেন — গভীর, জিভ ঢুকিয়ে, নিজের স্বাদ চাটতে চাটতে। «এবার… বিছানা নয়। মেঝে। গালিচার উপর। আমি উপরে। তুমি শুয়ে থাকো। আজ আমি তাল শেখাব। অশ্বারোহণ নয় — রাজকীয় নৃত্য-আসন। আমার পোঁদের তালে তোমার বাঁড়া বাজবে।»
আমি গালিচায় শুলাম। ধোন আকাশের দিকে উঁচু। তিনি দুই পা দু’পাশে রেখে আমার উপর এলেন — হাঁটু গেড়ে, ভোদা আমার দণ্ডের ঠিক উপর। এক হাত দিয়ে আমার বাঁড়া ধরে নিজের ফাঁকে ঠেকালেন।
মাথা ঢুকল।
গরম। সরু। পিছল।
«উফফফ… মোটা…» তিনি দাঁত চেপে আস্তে আস্তে নামলেন। ইঞ্চি ইঞ্চি করে আমার পুরুষাঙ্গ তার ভিতর ঢুকে চলেছে। আয়নায় দেখা যাচ্ছিল — তার পোঁদ নামছে, আমার দণ্ড গিলছে। «পুরো… নামতে দাও… আহ্…»
শেষ অবধি বসলেন। আমার সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য তার ভিতরে। তার পেটের চামড়া সামান্য ফুলে উঠেছে যেন। দুধ দুটো আমার মুখের কাছে ঝুলছে।
«এবার তাল।» তিনি বললেন, চোখে খেলা। «নাচের তালে চোদা। আমি উঠব-নামব। তুমি হিপ মারবে না। শুধু ধরে রাখবে কোমর। বুঝলে, শিষ্য?»
«বুঝলাম, গুরু।»
তিনি উঠলেন — ধোনের অর্ধেক বেরিয়ে এল — তারপর নামলেন। থপ।
আবার উঠলেন। নামলেন। থপ।
নাচের তাল। ধীর, নিয়মিত, ঘুঙুর বাজছে প্রতিটি অবতরণে। তার দুধ দুটো আমার মুখের উপর দুলছে — উপরে-নিচে, উপরে-নিচে। আমি মুখ বাড়িয়ে বোঁটা চোষলাম তালের সঙ্গে তাল রেখে। তিনি মাথা পেছনে ফেলে হাঃ হাঃ করছেন।
«এই যে… এই তাল… মনে রাখো… উৎসবে যখন নাচব…» তিনি গতি বাড়ালেন। থপথপ থপথপ। «তখনও ভিতরে… তোমার মাল… মনে মনে… আহহহ…»
গতি বাড়ল। পোঁদ এখন সত্যি সত্যি নাচছে আমার কোমরের উপর — গোল মাংস দুটো পাশ থেকে চাপা, ভোদা আমার ধোনকে নিংড়ে ধরেছে, আর প্রতিটি নামার সঙ্গে পচপচ শব্দ হচ্ছে ভিজে মাংসের। ঘাম ঝরছে তার বুক থেকে আমার বুকে। চন্দনের গন্ধ, যৌনতার গন্ধ, মেঝের ধূপের গন্ধ মিলে এক হয়ে গেছে।
তাল পাল্টাল। ধীর থেকে মাঝারি। তিনি আমার বুকে হাত রেখে উঠছেন-নামছেন — প্রতিটি অবতরণে তার ভিতরের মাংস আমার দণ্ডকে নিংড়ে ধরছে। আয়নায় দেখা যাচ্ছে তার পিঠের খাঁজ, পোঁদের গোল লাইন, আর আমার হাত তার কোমরে। দুধ দুটো আমার মুখের উপর দুলছে; আমি কখনো ডান, কখনো বাঁ বোঁটা চোষি — তালের সঙ্গে চোষার তাল মিলিয়ে।
«বলো।» তিনি হুকুম করলেন, হাঁফাতে হাঁফাতে। «শিষ্য কী শিখছে?»
«গুরুর গুদে… তাল…» আমি দাঁত চেপে বললাম। «উঠে… নেমে… পচপচ…»
«আরও খোলা কথা। অশ্লীল। আমি চাই।» তিনি জোরে নামলেন — থপ — পুরো দৈর্ঘ্য গিলে। «বলো আমি কে।»
«সৎমা…» আমার কণ্ঠ ভাঙল। «সৎমা আমার বাঁড়া গিলে নাচছে… রানী লাবণ্য… গুরু… ভোদা টানটান…»
«হ্যাঁ…» তিনি গতি বাড়ালেন। ঘুঙুর পাগলের মতো বাজছে। «সৎমার ভোদা যুবরাজের মোটা ধোন চাটছে ভিতর থেকে… শোনো শব্দ… পচপচ পচপচ… এটাই সংগীত… এটাই নৃত্য…»
তার পেটের মাংস কাঁপছে। ঘামের ফোঁটা বোঁটা বেয়ে আমার মুখে পড়ছে — নোনতা। আমি দুধ দুটো একসঙ্গে চেপে মুখ মাঝখানে রাখলাম। তিনি আরও জোরে নাচতে লাগলেন — এবার বৃত্তাকার ঢেউ, কোমর ঘুরিয়ে ধোনের মুখ দিয়ে ভিতরের চার দেয়াল ঘষছে। আমার আঙুল তার পেছনের গর্তে সামান্য চাপ দিল — তিনি ঝাঁকি দিয়ে চিৎকার করলেন, কিন্তু সরালেন না।
«ওখানে… আঙুল… সাহস আছে তো…» তিনি দাঁত চেপে বললেন। «গুরু সব সহ্য করে… শিষ্য যদি পুরুষ হয়…»
আমি আঙুলের ডগা ভিজিয়ে সামান্য ঢোকালাম পেছনে — শুধু এক নখ পরিমাণ — আর সামনে ধোন জোরে ঠেললাম নিচ থেকে। তিনি গলা খুলে আঃহহহ করে উঠলেন।
«জোরে… আমাকে জোরে নামাও…» তিনি নিজেই বললেন, নিয়ম ভেঙে। «শিষ্য এবার গুরুকে চোদো — হিপ মারো! তাল ছাড়ো — পশু হও!»
আমি কোমর তুলে ঠেললাম। ঘপ। তিনি চিৎকার করে উঠলেন। আবার। ঘপঘপ ঘপঘপ। আমি নিচ থেকে ঠাপছি, তিনি উপর থেকে নামছেন — দুই তাল মিলে এক হচ্ছে। তার দুধ আমার মুখে-মুখে লাগছে, আমি দুটোকে হাতে চেপে চোষছি, আর তিনি আমার চুল ধরে টানছেন।
«আমি আসছি — আবার — আহহহহহ!»
দ্বিতীয় কাঁপুনি।
তার ভোদা বেঁধে গেল আমার ধোনের চারপাশে — স্পন্দন, নিংড়ে ধরা, আর এক ঝলক গরম জল আমার কোমর বেয়ে গালিচায় পড়ল। তিনি সামনে ঢলে পড়লেন আমার বুকে, হাঁফাচ্ছেন, শরীর কাঁপছে, ঘুঙুর অনিয়ন্ত্রিত বেজে চলেছে।
কিন্তু আমি থামলাম না।
উল্টে দিলাম তাকে। এবার তিনি নিচে, আমি উপরে। পা দুটো তার কাঁধে তুলে ধরলাম — নর্তকীর নমনীয় শরীর সহজেই ভাঁজ হয়ে গেল — আর গভীরে ঠেললাম।
«আহ্… গভীর… অরিন্দম… বাবা…» তিনি চোখ বন্ধ করে গোঙাচ্ছেন। «সৎমার গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছ… আরও… আরও জোরে…»
ঘপঘপ ঘপঘপ থপথপ — শরীরের শব্দ নাটমন্দিরে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। আমি তার চুল এক মুঠোয় নিয়ে টানলাম। গলা বেয়ে চুমু, কামড়। তার দুধ দুটো তলা থেকে দেখা যাচ্ছে — লাফাচ্ছে প্রতিটি ঠেলায়, সোনালি মাংস কাঁপছে, বোঁটা শক্ত। আমি এক হাত দিয়ে দুটোকে চাপলাম।
«বলো গুরু কী চায়।» আমি দাঁত চেপে বললাম।
«মাল… ভিতরে মাল চাই…» তিনি হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন। «শিষ্যের মাল গুরুর গুদে… ভরে দাও… আহ্… আমি আবার —»
তৃতীয়বার।
এবার আরও তীব্র। তার পিঠ বাঁকা হয়ে উঠল। নখ আমার পিঠে ফুটল। আর তার ভোদা থেকে — সত্যি সত্যি — এক ধারা জল ছিটকে বেরিয়ে গালিচার উপর পড়ল, আমার ঊরু ভিজিয়ে দিল, মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ল চকচকে। তিনি চিৎকার করে উঠলেন — আঃহহহহ — কণ্ঠ ভেঙে গেল।
«জল… খসে গেল… মেঝে… দেখো…» তিনি কাঁপতে কাঁপতে বললেন। «তোমার সৎমা মেঝে ভিজিয়ে দিল… শিষ্যের বাঁড়ায়…»
আমি আর ধরে রাখতে পারলাম না।
শেষ কয়েকটা ঠেলা — গভীর, জোরালো, তার গর্ভের মুখে আছড়ে পড়া — আর আমি ঢেলে দিলাম। মালের ধারা। গরম, ঘন, তার ভিতর ভরে। তিনি টের পেয়ে কোমর আরও চেপে ধরলেন, যেন এক ফোঁটাও বাইরে যেতে না চান। আমি ঢালতে ঢালতে তার মুখ চেপে চুমু খেলাম — জিভ জিভের সঙ্গে, লবণ, তেল, ঘাম।
«ভিতরে… সব…» তিনি বিড়বিড় করলেন। «রানীর গুদ যুবরাজের মালে ভর্তি…»
আমি তার উপর ঢলে পড়লাম। দুজনে হাঁফাচ্ছি। প্রদীপের আলো কাঁপছে। গালিচায় তেল, ঘাম, তার স্খলিত জল, আর আমাদের মিশ্রণের গন্ধ।
কিছুক্ষণ কেউ কথা বলল না। শুধু শ্বাস। শুধু প্রদীপের শিখা। শুধু তার ভিতরে আমার মালের ধীর স্পন্দন।
তারপর তিনি আস্তে আস্তে কোমর ঘোরালেন — এখনও ভিতরে নিয়েই। নরম হয়ে আসা ধোন আবার তার মাংসের চাপে টনটন করল। তিনি হাসলেন।
«আবার?» চোখে খেলা। «শিষ্যের অ্যাস্ত্রা এখনও বাকি?»
«গুরু যদি আদেশ করেন…»
«আদেশ।» তিনি উঠে দাঁড়ালেন — মাল তার ঊরু বেয়ে পড়ল গালিচায় চকচকে রেখা টেনে — তারপর হাঁটু গেড়ে আমার দুই পাশ দিয়ে মুখ নামালেন আমার অঙ্গের উপর। «প্রথমে চাটা। নিজের মাল আর আমার জল একসঙ্গে। পরিষ্কার করে আবার শক্ত করো।»
তার গরম মুখ — তুলতুলে ঠোঁট — আমার মাথার উপর বসল। জিভ বেরিয়ে চাটল গোড়া থেকে মুখ অবধি — আমাদের মিশ্রণের স্বাদ। তিনি চোখ তুলে আয়নায় তাকিয়ে চোষলেন — গভীর, গলা অবধি, চোঁচোঁ শব্দ। দুধ দুটো আমার ঊরুতে ঝুলছে, আমি হাতে নিয়ে মাখাচ্ছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার শক্ত। তিনি তৃপ্ত হয়ে মুখ ছাড়লেন, লার ঝরছে ঠোঁট বেয়ে।
«এবার পেছন থেকে।» তিনি গালিচায় হাঁটু-হাত রেখে পোঁদ উঁচু করলেন — নর্তকীর ভঙ্গি, পিঠ বাঁকা, মুখ আয়নার দিকে। «দেখো আয়নায়। যুবরাজ সৎমাকে পেছন থেকে ঠাপাচ্ছে। আর সৎমা দেখছে নিজের মুখ।»
আমি পেছনে এসে ধোন তার ভিজে ফাঁকে ঠেকালাম। এখনও আগের মালের কারণে পিছল — এক ঠেলায় গভীর ঢুকে গেল। তিনি আঃ করে আয়নায় মুখ বিকৃত করলেন। আমি কোমর ধরে ধরলাম — থপথপ থপথপ — পোঁদে পোঁদে আঘাত, দুধ দুলছে নিচে ঝুলে, ঘুঙুর বাজছে।
«নাম বলো।» আমি চুল টানতে টানতে বললাম।
«লাবণ্য… লাবণ্যলেখা… তোমার সৎমা… তোমার রানী… তোমার… আহ্… বেশ্যা এই মুহূর্তে…» তিনি আয়নায় আমার চোখে চোখ রাখলেন। «ভরে দাও আবার… মাল… চাই…»
আমি জোরে জোরে ঠাপলাম — ঘপঘপ ঘপঘপ — আর সেও পেছনে ঠেলছে। চতুর্থ কাঁপুনি এল তার — এবার আওয়াজ চেপে, দাঁতে ঠোঁট কেটে, কিন্তু শরীর বেইমানি করে জল আরও একটু ছিটকে দিল আমার ঊরুতে। আমিও আবার ঢেলে দিলাম — কম, কিন্তু গরম — তার গর্ভের কাছে।
এবার সত্যিই ঢলে পড়লাম পাশাপাশি।
তিনি হাসলেন — সেই অশ্লীল, তৃপ্ত হাসি। «শিষ্য পাস করেছে। দুইবার মাল। চারবার গুরুর খসা। মেঝে ভেজা। পাঠ সফল।»
«গুরু কঠিন।» আমি তার দুধের উপর চিবুক রেখে বললাম।
«গুরু আরও কঠিন হতে পারত।» তিনি আমার চুল আঁচড়ালেন। «বসন্তোৎসবে… যখন সভা ভর্তি লোক… আমি নাচব। আর তুমি সিংহাসনের পাশে বসে দেখবে। সবাই দেখবে আমার দুধ, আমার কোমর। কিন্তু…» তিনি আমার কানে মুখ এনে বললেন, «শুধু তুমি জানবে — ওই নাচের তালে ভিতরে তখনও তোমার মাল লেগে আছে। হয়তো সেই রাতেই… মন্দির-প্রাঙ্গণের অন্ধকারে… আবার। লোকের ভিড়ে। বুঝলে? পাবলিক… না, রাজকীয় ঝুঁকি।»
উৎসবের রাত। জনতার সামনে। গোপন।
আমার ধোন — এখনও তার ভিতরে নরম হয়ে — আবার সামান্য টনটন করল। তিনি টের পেয়ে হাসলেন।
«আবার উঠছে? দৈত্য।» তিনি আস্তে আস্তে উঠলেন। আমার মাল তার ঊরু বেয়ে গালিচায় পড়ল — সাদা, ঘন, তার লাল মাংস থেকে গড়িয়ে। তিনি আঙুল দিয়ে একটু তুলে মুখে দিলেন, চাটলেন। «সৎমার স্বাদ… শিষ্যের বীর্য।»
আমি উঠে বসলাম। কাপড় খুঁজছিলাম। তিনি অঙ্গবস্ত্র জড়ানোর আগে জানালার দিকে তাকালেন — নাটমন্দিরের উঁচু জানালা, যেখান থেকে বাইরের করিডোরের আলো আসে।
থেমে গেলেন।
«কী?» আমি জিজ্ঞাসা করলাম।
তিনি নিঃশ্বাস চেপে বললেন, «জানালা।»
আমি দ্রুত তাকালাম।
উঁচু জানালার বাইরে — করিডোরের মশালের আলোয় — একটা ছায়া। লম্বা, শীর্ণ। এক মুহূর্তের জন্য দাঁড়িয়েছিল। তারপর সরে গেল। দূর থেকে দেখা গেল কাগজ-ঘরের দিকের শিক-দেওয়া জানালায় একটা প্রদীপ জ্বলছে। যে প্রদীপ রাতে সাধারণত নিভে থাকে।
মন্ত্রী শশাঙ্ক।
অথবা তার ছায়া।
লাবণ্যলেখা দ্রুত কাপড় জড়ালেন। আমি ধুতি বাঁধলাম। দুজনে চুপ। নাটমন্দিরে শুধু প্রদীপের শব্দ আর আমাদের শ্বাস।
«দেখেছে?» আমি জিজ্ঞাসা করলাম।
«নিশ্চিত নই।» তার কণ্ঠে প্রথমবার রাজনীতির ধার। খেলাচ্ছলে হাসি মিলিয়ে গেছে। «কিন্তু ওই শীর্ণ কাঁধ… ওই দাঁড়ানোর ভঙ্গি… শশাঙ্ক ছাড়া কাঞ্চনগড়ে এ রাতে এভাবে জানালার নিচে দাঁড়ায় কে? আর কাগজ-ঘরের প্রদীপ… সে রাতের পর রাত জ্বালায় যখন কেউ কেউকে লিখে রাখে।»
তিনি আমার হাত ধরে জানালার কাছে নিয়ে গেলেন — নগ্ন পায়ে, অঙ্গবস্ত্র আধ-জড়ানো। বাইরের করিডোরে মশালের আলো কাঁপছে। দূরে, শিক-দেওয়া জানালার ফাঁক দিয়ে হলুদ আলো। মাঝে মাঝে একটা ছায়ার অংশ — হাত? মাথা? — আলোর সামনে দিয়ে সরে যাচ্ছে। কেউ লিখছে। অথবা খুঁজছে। অথবা… শুনছে।
«মৃণালিনী বলেছিল।» আমি নিঃশ্বাস চেপে বললাম। «সিন্দুকের কথা। চাবির কথা।»
«মৃণালিনী অনেক কিছু বলে।» লাবণ্যলেখার ঠোঁটে একটা বাঁকা রেখা। «সে চায় তুমি সিংহাসনে বসো — তার ছায়ার নিচে। আমি চাই তুমি আমার তালে নাচো — সিংহাসনের পাশেই হোক। কিন্তু শশাঙ্ক… সে চায় তোমাকে দড়ি দিয়ে বাঁধতে। তার কাগজের সিন্দুকে পুরনো চিঠি আছে, ঘুষের হিসেব আছে, আর যদি আজ রাতের গন্ধও সে কোনোভাবে তুলে রাখে…» তিনি আমার বুকে হাত রাখলেন। «তাহলে যুবরাজের গলাও তার মুঠোয়।»
কাগজের সিন্দুক।
মৃণালিনী রানীমাও বলেছিলেন। বিন্দুমতীও জানে। আর এখন লাবণ্যলেখা — আমার মাল এখনও যার ঊরুতে লেগে আছে — সেও সতর্ক করছে।
«জয়ন্তী?» আমি জিজ্ঞাসা করলাম। «মন্ত্রীর স্ত্রী।»
লাবণ্যলেখার চোখ এক মুহূর্ত কুঁচকল। «অভুক্ত। অবহেলিত। স্বামী কাগজ চুম্বে, স্ত্রীকে ছুঁয় না। তুমি যদি… বুদ্ধিমান হও…» তিনি শেষ করলেন না। বলার দরকার ছিল না। দরজা আমি নিজেই দেখতে পাচ্ছিলাম।
«আমি দেখে নেব। সিন্দুক।» আমি বললাম।
তিনি আমার হাত ধরলেন। «সাবধানে। ও পুরনো শেয়াল। সরাসরি ঢুকো না আজ রাতে — ওই প্রদীপ জ্বলা মানে ও জেগে আছে। কাল। অথবা পরশু। বিন্দুমতীকে দিয়ে খবর নাও কোন সময়ে ঘর খালি থাকে। আর…» তিনি আবার হাসলেন, এবার একটু চাপা, বুকের তেলমুখো চামড়া আমার বাহুতে লাগিয়ে। «আজ রাতের পাঠ শেষ নয়। কাল তেল-ঘরে আবার এসো। শিষ্যের এখনও অনেক কিছু বাকি। উৎসবের আগে তোমাকে আমার পুরো নৃত্য মুখস্থ করতে হবে — শরীর দিয়ে।»
আমি তার কোমরে চুমু খেয়ে দরজার দিকে এগিয়ে গেলাম। পর্দা সরিয়ে বাইরে এসে করিডোরের ঠান্ডা হাওয়া লাগল ঘাম-ভেজা গায়ে। ডানদিকে — কাগজ-ঘরের দিকে — সেই প্রদীপ এখনও জ্বলছে।
ছায়া আর নেই। কিন্তু আলো জ্বলছে।
আর আলোর মানে কেউ জেগে আছে। কেউ লিখছে। কেউ… রাখছে।
সিন্দুকে।
আমি মুঠি বন্ধ করলাম। নাটমন্দিরের ভিতরে লাবণ্যলেখা হয়তো এখনও গালিচায় বসে আমার মাল মুছছেন ঊরু থেকে। আর বাইরে, রাজপ্রাসাদের বুকে, মন্ত্রী শশাঙ্কের কাগজের সিন্দুক অপেক্ষা করছে।
প্রমাণের ভান্ডার।
হুমকির ভান্ডার।
আর আমাকে সেখানে যেতেই হবে — কাল নয়, হয়তো আজই।
কারণ যে ছায়া জানালায় দাঁড়িয়েছিল, সে যদি সত্যি শশাঙ্ক হয় — তবে সে জানে। অথবা সন্দেহ করে। আর সন্দেহই যথেষ্ট কাঞ্চনগড়ের মন্ত্রীর কাছে।
আমি কাগজ-ঘরের দিকে এক পা বাড়ালাম। থামলাম। রাত গভীর। সরাসরি ঢোকা বোকামি। প্রথমে জানতে হবে সিন্দুকে কী আছে, চাবি কার কাছে, আর জয়ন্তী — মন্ত্রীর স্ত্রী — কোথায় ঘুমায়।
বিন্দুমতী জানবে। দাসীরা সব জানে।
আমি ঘুরে নিজ মহলের দিকে হাঁটলাম। পেছনে নাটমন্দিরের প্রদীপ মিলিয়ে যাচ্ছে। সামনে করিডোরের অন্ধকার। আর মাথায় — লাবণ্যলেখার অশ্লীল হাসি, তার স্খলিত জলের গালিচা, আর জানালার সেই শীর্ণ ছায়া।
পর্ব শেষ হচ্ছে না। পর্ব ঘনীভূত হচ্ছে।
কাগজের সিন্দুক ডাকছে।
পর্ব ৫ — কাগজের সিন্দুক
চলবে……









